শুক্রবার, ২৭ মে ২০২২, ০৫:৩৩ অপরাহ্ন
সর্বশেষ শিরোনামঃ
কুসিক নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ালেন আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী প্রার্থী ইমরান খালেদার দু’মামলায় অভিযোগ গঠন শুনানি ১৪ জুন মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের দপ্তরে অভিযোগ বক্স স্থাপনের নির্দেশ শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের রাশিয়ার সৈন্যরা গুরুত্বপূর্ণ একটি শহর ঘিরে ফেলায় পশ্চিমের প্রতি জেলেনস্কির ক্ষোভ বার কাউন্সিল নির্বাচনে বঙ্গবন্ধু আওয়ামী আইনজীবী পরিষদের প্যানেল সংখ্যাগরিষ্ঠ আসনে এগিয়ে পাচার অর্থ ফেরত আনার উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে: অর্থমন্ত্রী সাকিবের ৫ উইকেট শিকার, অলআউট শ্রীলংকা ডেল্টা প্ল্যান বাস্তবায়নে উন্নয়ন অংশীদারদের সহযোগিতার আহবান প্রধানমন্ত্রীর অবৈধ ক্লিনিক-ডায়াগনস্টিক সেন্টার ৭২ ঘণ্টার মধ্যে বন্ধের নির্দেশ আজ ‘আজাদি মার্চ’; সরকারি গুরুত্বপূর্ণ ভবন রক্ষায় ইসলামাবাদে সেনা মোতায়েনের অনুমোদন শেখ হাসিনাকে হত্যা চেষ্টার মৃত্যুদন্ডপ্রাপ্ত আবদুল হাই গ্রেফতার বিশ্বব্যাপী মাঙ্কিপক্স আক্রান্তের সংখ্যা ২০০ ছাড়িয়েছে : ইইউ ডিজিজ এজেন্সি জাতীয় কবি কাজী নজরুলের ১২৩তম জন্মবার্ষিকী উদযাপিত ছিন্নমূল ও ভবঘুরেদের জন্য আশ্রয় কেন্দ্র টি র‌্যাব কে ছেড়ে দেওয়ার অনুরোধ; মেয়র তাপস ডিএসসিসির সকল ওয়ার্ডে গণশৌচাগার নির্মাণ করা হবে : মেয়র তাপস উন্নয়ন প্রকল্পে পরিবেশ-প্রতিবেশ রক্ষায় গুরুত্ব দিতে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশ জাতীয় সংসদের ২২-২৩ অর্থবছরে পরিচালন ও উন্নয়ন খাতে ৩৪১ কোটি ৮৯ লাখ টাকার বাজেট প্রস্তাব জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের ২০২০ সালের সম্মান চতুর্থ বর্ষের ফল প্রকাশ টেক্সাসে স্কুলে বন্দুকধারীর গুলিতে ১৯ শিশুসহ ২১জন নিহত বিশ্ব এখন নতুন স্নায়ু যুদ্ধের হুমকির মুখোমুখি : জাতিসংঘ মহাসচিব

মাতারবাড়ী বিদ্যুৎ প্রকল্প: ব্যয় বাড়ছে ১৬ হাজার কোটি টাকা

  • সর্বশেষ আপডেট : শনিবার, ২৭ নভেম্বর, ২০২১
  • ১২
মাতারবাড়ী বিদ্যুৎ প্রকল্প | ছবি: সংগৃহীত

সরকারের সর্বোচ্চ অগ্রগাধিকারভুক্ত (ফাস্টট্র্যাক) মাতারবাড়ী বিদ্যুৎ প্রকল্পে ব্যয় বাড়ছে প্রায় ১৬ হাজার কোটি টাকা (১৫ হাজার ৮৭০ কোটি)। সাত খাতে মূলত এই ব্যয় বৃদ্ধি পাবে। প্রকল্প অনুমোদনের পর ৭ বছর চলে গেছে। এখন পর্যন্ত বাস্তব অগ্রগতি ৪৪ দশমিক ৫০ শতাংশ। এছাড়া আর্থিক অগ্রগতি হয়েছে ৪৭ দশমিক ৭৬ শতাংশ। ব্যয় বৃদ্ধি সংক্রান্ত খাতগুলো হচ্ছে-চ্যানেল, জেটি, ভূমি উন্নয়ন ও বিদ্যুৎ কেন্দ্রের সিভিল কার্যক্রম। এছাড়া বিদ্যুৎ কেন্দ্র নির্মাণ, পরামর্শক, ভ্যাট-আইটি ও আমদানি শুল্ক, পুনর্বাসন ও ক্ষতিপূরণ এবং পল্লী বিদ্যুতায়ন ও টাউনশিপ নির্মাণেও ব্যয় বাড়ছে। আগামীকাল মঙ্গলবার জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির (একনেক) বৈঠকে উপস্থাপন করা হতে পারে প্রকল্পটির প্রথম সংশোধনী প্রস্তাব। খবর সংশ্লিষ্ট সূত্রের।

পরিকল্পনা কমিশন সূত্র জানায়, মাতারবাড়ী বিদ্যুৎ প্রকল্পের মূল অনুমোদিত ব্যয় হচ্ছে ৩৫ হাজার ৯৮৪ কোটি টাকা। এর মধ্যে সরকারি তহবিলের ৪ হাজার ৯২৬ কোটি ৬৫ লাখ টাকা, জাপান আন্তর্জাতিক সহযোগিতা সংস্থার (জাইকা) ঋণ থেকে ২৮ হাজার ৯৩৯ কোটি টাকা আছে। এছাড়া বাস্তবায়নকারী সংস্থার নিজস্ব তহবিল থেকে ২ হাজার ১১৮ কোটি ৭৬ লাখ টাকা ব্যয় করা হচ্ছে। এখন প্রথম সংশোধনীর মাধ্যমে ১৫ হাজার ৮৭০ কোটি ৪১ লাখ টাকা বাড়িয়ে মোট ব্যয় প্রস্তাব করা হয়েছে ৫১ হাজার ৮৫৪ কোটি ৮৭ লাখ টাকা। যা আগের ব্যয়ের তুলনায় ৪৪ দশমিক ১০ শতাংশ বেশি। প্রকল্পটির ব্যয় বৃদ্ধির ক্ষেত্রে ৭টি কারণ জানিয়েছে বিদ্যুৎ বিভাগ। এদিকে অনুমোদনের সময় প্রকল্পটি বাস্তবায়নের মেয়াদ ছিল ২০১৪ সালের জুলাই থেকে ২০২৩ সালের জুন পর্যন্ত। কিন্তু কাক্সিক্ষত বাস্তবায়ন না হওয়ায় এখন সাড়ে তিন বছর বাড়িয়ে ২০২৬ সালের ডিসম্বর পর্যন্ত বাড়ানোর প্রস্তাব করা হয়েছে। এটি বাস্তবায়ন করছে কোল পাওয়ার জেনারেশন কোম্পানি বাংলাদেশ লিমিটেড (সিপিজিসিবিএল)।

প্রকল্পটি সংশোধনের কারণ হিসেবে বলা হয়েছে, জেটি, ভূমি উন্নয়ন ও বিদ্যুৎ কেন্দ্রের সিভিল কার্যক্রম খাতে ব্যয় বাড়ছে ১৪ হাজার ৩২৬ কোটি টাকা। এছাড়া পাওয়ার প্ল্যান্ট অঙ্গে বরাদ্দ ছিল ১৬ হাজার ৯৭২ কোটি টাকা। এখন ১ হাজার ৪০১ কোটি ২৭ লাখ টাকা বৃদ্ধি পেয়ে প্রস্তাবিত ব্যয় দাঁড়িয়েছে ১৮ হাজার ৩৭৩ কোটি ৬০ লাখ টাকা। গুলশানের হলি আর্টিজান বেকারিতে জঙ্গি হামলার কারণে নিরাপত্তার জন্য এই ব্যয় বাড়ছে। পরামর্শক সেবার পরিমাণ ও ব্যয় বৃদ্ধি পাচ্ছে। এ খাতে অতিরিক্ত ব্যয় বাড়ছে ৩২৭ কোটি ৮১ লাখ টাকা। ভ্যাট-আইটি, আমদানি শুল্ক খাতে ৩ হাজার ২০ কোটি টাকা হতে ২ হাজার ১৬৬ কোটি টাকা বৃদ্ধি পেয়ে এখন দাঁড়াচ্ছে ৫ হাজার ১৮৬ কোটি ৯৮ লাখ টাকা। পুনর্বাসন ও ক্ষতিপূরণ কার্যক্রম খাতে বরাদ্দ ছিল ১০০ কোটি টাকা। এখন বেড়ে দাঁড়াচ্ছে ৩১৬ কোটি ৫৭ লাখ টাকা। পল্লী বিদ্যুতায়ন ও টাউনশিপ নির্মাণ খাতে বরাদ্দ ছিল ৭১ কোটি ২৫ লাখ টাকা। সেখান থেকে ৩৬ কোটি ৪৪ লাখ টাকা বাড়িয়ে প্রস্তাব করা হয়েছে ১০৭ কোটি ৬৮ লাখ টাকা। এছাড়া ২০১৬ সালে গুলশানের হলি আর্টিজান হামলার কারণে নিরাপত্তার জন্য অবকাঠামো নির্মাণ করা হয়। সেই সঙ্গে টাউনশিপ এলাকায় ইটিপি, এসটিপি বা ডব্লিউটিপি স্থাপনসহ আধুনিক নগরায়ণের জন্য আবাসিক ভবন নির্মাণের উদ্যোগ নেওয়া হয়। ফলে এ খাতে ৩২১ কোটি ৭৭ লাখ টাকা থেকে ১১৩ কোটি টাকা বাড়িয়ে প্রস্তাব করা হয়েছে ৪৩৫ কোটি টাকা। এছাড়া প্রকল্পের মেয়াদ বাড়ায় কিছু খাতে ব্যয় বাড়ছে।

শেয়ার করুন

আরও খবর

মুজিববর্ষ সম্পর্কে জানতে নিচে ক্লিক করুন