• রবি. আগ ১৪, ২০২২

বাংলাদেশ চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির নির্বাচনে সাধারণ সম্পাদক পদে ফের ভোট দাবি করেছে কাঞ্চন-নিপুণ পরিষদ

জানু ৩০, ২০২২

বাংলাদেশ চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির নির্বাচনে সাধারণ সম্পাদক পদে ফের ভোট দাবি করেছে কাঞ্চন-নিপুণ পরিষদ। এই পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে হেরে যাওয়া চিত্রনায়িকা নিপুণ সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে জয়ী হওয়া জায়েদ খানকে চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দিয়েছেন। নিপুণ বলেছেন, ‘আমি চাই, আবার নির্বাচন করতে। জায়েদ খানের সাহস থাকলে আবার নির্বাচনে আসুক। আমার পদটিতে কারচুপি করে আমাকে হারিয়ে দেওয়া হয়েছে।’

রোববার বিকালে জাতীয় প্রেস ক্লাবে আবদুস সালাম মিলনায়তনে সংবাদ সম্মেলনে শিল্পী সমিতির ভোট সুষ্ঠু হয়নি বলে অভিযোগ তুলে জায়েদ খানের উদ্দেশে নিপুণ এ চ্যালেঞ্জ দেন। সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন চিত্রনায়ক রিয়াজসহ কাঞ্চন-নিপুণ পরিষদের প্রার্থীরা।

সাধারণ সম্পাদক পদে ফের নির্বাচনের জন্য নিপুণের দাবির সঙ্গে একমত পোষণ করেছেন সভাপতি পদে জয়ী ইলিয়াস কাঞ্চন।

গত ২৮ জানুয়ারি অনুষ্ঠিত নির্বাচনে চলচ্চিত্রশিল্পী সমিতির ৪৪ অভিনয়শিল্পী ভোটে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন। ৪২৮ জন ভোটার ২২ জনকে প্রার্থীকে বেছে নিয়েছেন।

এবারের নির্বাচনে সভাপতি পদে অভিনেতা মিশা সওদাগর এবং সাধারণ সম্পাদক পদে চিত্রনায়ক জায়েদ খান একই প্যানেল থেকে নির্বাচন করেন। প্রতিদ্বন্দ্বী প্যানেলে সভাপতি পদে অভিনেতা ইলিয়াস কাঞ্চন এবং সাধারণ সম্পাদক পদে চিত্রনায়িকা নিপুণ আক্তার নির্বাচন করেন।

শিল্পী সমিতির সদ্য সমাপ্ত নির্বাচনে জায়েদ খানের কাছে ১৩ ভোটে হারের পর ফলাফলে অসন্তোষ প্রকাশ করে নির্বাচন কমিশনে আপিল করেছিলেন সাধারণ সম্পাদক পদপ্রার্থী চিত্রনায়িকা নিপুণ।  তার আপিলের ভিত্তিতে ভোট পুনর্গণনাতেও সাধারণ সম্পাদক হিসেবে বিজয়ী ঘোষণা করা হয়েছে জায়েদ খানকে।

আজ (৩০ জানুয়ারি) সংবাদ সম্মেলনে এসে ভোটে কারচুপির অভিযোগ তুলেছেন নিপুণ। সাধারণ সম্পাদক পদে ফের নির্বাচনের দাবি জানিয়েছেন। তার এই দাবির সঙ্গে একমত পোষণ করেছে তার পরিষদও (কাঞ্চন-নিপুণ পরিষদ)।

এ সময় আবার নির্বাচন করার সুযোগ আছে কিনা কিংবা গঠনতন্ত্রে আছে কিনা- সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নের জবাবে নিপুণ বলেন, ‘হ্যাঁ, নির্বাচন কমিশন চাইলে আবার সম্ভব। প্রয়োজনে আমি এ নিয়ে আদালতে যাব।’

পরে সভাপতি পদে জয়ী ইলিয়াস কাঞ্চন বলেন, ‘যেহেতু নিপুণ ভিকটিম। সে অভিযোগ করছে তার পদে আবার নির্বাচন করা হোক। আমিও তার সঙ্গে একমত।’

ইলিয়াস কাঞ্চনের অভিযোগ, ‘আমার ভাবতে কষ্ট হয়, এই নির্বাচনে আমার মতো একজন শিল্পীকে প্রস্রাব করার জন্য জায়গা খুঁজতে হয়েছে। পরে দেওয়ালে দাঁড়িয়ে আমি প্রস্রাব করেছি। নির্বাচন কমিশনার আমাদের প্যানেলের অংশের জন্য একটি টয়লেটের ব্যবস্থাও রাখেননি। এতটাই প্রতিকূল ছিল আমাদের জন্য।’

নিপুণ বলেন, ‘আমার সমর্থনের প্রযোজক, প্রোডাকশন, ক্যামেরাম্যানদের ঢুকতে দেওয়া হয়নি।  আমরা যেদিন তেজগাঁও ডিসির সঙ্গে বসেছি। জায়েদ বলেছেন যে, প্রশাসন ও নির্বাচন কমিশন যে সিদ্ধান্ত নেবে, আমি সেটাই মেনে নেব। তাহলে আমাদের ক্যামেরাম্যানদের ঢুকতে দেওয়া হয়নি কেন’- এ প্রশ্নও করেন এই চিত্রনায়িকা।