ঢাকা, বাংলাদেশ সময়ঃ ২:৩৬ পূর্বাহ্ণ সোমবার, ১৭ মে, ২০২১
করোনাভাইরাস
অনলাইন ডেস্ক
অনলাইন ডেস্ক
Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin
ছবি: সংগৃহীত

চিকিৎসাবিষয়ক জার্নাল ল্যানসেটের গবেষণা অনুযায়ী, গত বছরের আজকের দিনে হুবেইপ্রদেশের রাজধানী উহানে প্রথম কোনো করোনা রোগী শনাক্ত হয়েছে। অর্থাৎ এদিন তার শরীরে এই রোগের উপসর্গ ধরা পড়েছিল। 

হুবেইপ্রদেশের রাজধানী উহান থেকে ছড়িয়ে পড়া ভাইরাসটি পরবর্তীতে মহামারীর রূপ নিয়েছে। চীন সরকার শুরুতে ভাইরাসটি নিয়ন্ত্রণ করতে পারেনি। 

রোগটির প্রাথমিক অবস্থায় চীনের অব্যবস্থাপনা স্পষ্ট হয়ে পড়েছিল। দ্য উহান ফাইলস নামে এক প্রতিবেদনে মার্কিন গণমাধ্যম সিএনএন এমন তথ্য তুলে ধরেছে।

খবরে বলা হয়, ১০ ফেব্রুয়ারি বেইজিং থেকে উহানের সম্মুখসারির চিকিৎসাকর্মীদের উদ্দেশে কথা বলেন চীনা প্রেসিডেন্ট শি জিন পিং। 

এক হাজার ২০০ কিলোমিটার দূরে নিরাপদ ঘরে বসে চীনা প্রেসিডেন্ট করোনায় নিহত উহানবাসীর জন্য সান্ত্বনা দেন। 

নতুন রোগটি ঘিরে বিশ্বজুড়ে উদ্বেগের মুখে এ বিষয়টি আরও বেশি খোলাসা করার প্রতিশ্রুতি দেন তিনি। ওই দিনই চীনা কর্তৃপক্ষ দেশটিতে দুই হাজার ৪৭৮ জনের করোনা শনাক্তের কথা জানায়। ওই সময় পর্যন্ত বিশ্বে করোনা শনাক্ত হয় ৪০ হাজারের কিছু বেশি।

তখন চীনের মূল ভূখণ্ডের বাইরে শনাক্তের সংখ্যা ছিল ৪০০ জনেরও কম। কিন্তু ফাঁস হওয়া অভ্যন্তরীণ নথির বরাতে সিএনএন বলছে, চীন ওই সময়ে করোনা শনাক্তের যে সংখ্যা দেখিয়েছিল, তা খণ্ডচিত্র মাত্র।

সিএনএন তাদের অনুসন্ধানে যা জেনেছে, তার মধ্যে রয়েছে, চীনা কর্মকর্তারা তাদের অভ্যন্তরীণভাবে পাওয়া তথ্যের চেয়ে বিশ্বকে আরও আশাবাদী তথ্য দিয়েছিলেন। 

চীনা ব্যবস্থায় নিশ্চিত রোগীদের নির্ণয় করতে গড়ে ২৩ দিন সময় লেগেছে। 

অভ্যন্তরীণ নিরীক্ষায় দেখা গেছে, অপর্যাপ্ত তহবিল, কম লোকবল, দুর্বল মনোবল এবং আমলাতান্ত্রিক মডেল ব্যবস্থা চীনের প্রাথমিক সতর্কতা ব্যবস্থাকে বাধাগ্রস্ত করেছে। হুবেইপ্রদেশে ডিসেম্বরের শুরুতে ইনফ্লুয়েঞ্জার একটি বড় প্রাদুর্ভাব ঘটেছিল, যা সামনে আসেনি।

 ইউনিভার্স ট্রিবিউন