ঢাকা, বাংলাদেশ | সময়ঃ ১০:৩০ পূর্বাহ্ণ
আজ শনিবার, ৮ মে, ২০২১

১৮ মাসের সংসারজীবনে স্ত্রী হাতিয়ে নিয়েছেন দামি গাড়ি, মূল্যবান রেস্টুরেন্ট ও নগদ কোটি কোটি টাকা * ঘটনাটি মিথ্যা -ডিএমপি কমিশনার

অনলাইন ডেস্ক
অনলাইন ডেস্ক
Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin

ত্রিশোর্ধ্ব এক নারীর ভয়াবহ প্রতারণার ফাঁদে পড়ে প্রায় সর্বস্ব হারাতে বসেছেন ধনাঢ্য ব্যবসায়ী জহুরুল ইসলাম। দামি গাড়ি, মূল্যবান রেস্টুরেন্ট এবং কোটি কোটি টাকা দিয়েও রক্ষা হয়নি তার। উলটো ধর্ষণ মামলায় এখন জেলের ঘানি টানছেন।

 

অথচ তারা স্বামী-স্ত্রী হিসেবে সংসার করেছেন ১৮ মাস। কিন্তু গত নভেম্বরে সাবেক স্বামীর সঙ্গে একান্তে সময় কাটানোর বিষয়টি ধরা পড়ার পর জহুরুল ইসলাম তালাক দেন ডিসেম্বরে।

এরপর দুই দফায় ধর্ষণ মামলার অভিযোগ থানা গ্রহণ না করলে তিনি আদালতের শরণাপন্ন হন। আদালত প্রথম মামলাটি খারিজ করলে ভিকটিম দাবিদার ওই নারী ঘটনাস্থল ও দিনক্ষণ পরিবর্তন করে ভিন্ন আদালতে যান। সেখান থেকে বিষয়টি তদন্ত করে মামলা নেওয়ার নির্দেশনা দিলে উত্তরা পশ্চিম থানা পুলিশ কোনো ধরনের তদন্ত ছাড়াই রহস্যজনক কারণে ব্যবসায়ী জহুরুল ইসলামকে গ্রেফতার করে আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে পাঠান।

এদিকে এ বিষয়ে যুগান্তরের অনুসন্ধানে চাঞ্চল্যকর তথ্য বেরিয়ে এসেছে। ধর্ষণের ঘটনাস্থল হিসাবে ভিকটিম মামলার বিবরণে যে ঠিকানা উল্লেখ করেছেন সেখানে গিয়ে সংশ্লিষ্ট অফিস পাওয়া যায়নি।

উত্তরা পশ্চিম থানা এলাকাধীন বাড়িতে গেলে বাড়ির মালিক সাফ জানিয়ে দেন, তার এখানে ধর্ষণের ঘটনা তো দূরের কথা, এখানে সুইফট ডেভেলপমেন্ট নামে কোনো প্রতিষ্ঠানই নেই। তিনি বলেন, ‘তদন্ত সংশ্লিষ্ট পুলিশ কর্মকর্তারা আমার বাড়িতে এসে সবকিছু দেখে গিয়েছেন।’ একটা মিথ্যা অভিযোগকে কেন্দ্র তার বাড়িতে পুলিশ আসায় তিনি নিজেও বিব্রত হয়েছেন।

এ ছাড়া মামলার ঘটনার দিন গত ৩১ ডিসেম্বর বেলা ১১টা পর্যন্ত ব্যবসায়ী জহুরুল ইসলাম জহির তার পল্লবীর বাড়িতেই ছিলেন। এমন তথ্য-প্রমাণ যুগান্তরের কাছে এসেছে। সেখানে দেখা যায় দুপুর ১২টা থেকে তিনি দিনভর ছিলেন ক্যান্টনমেন্ট, বনানী ই-ব্লক ও গুলশান এলাকায়। ব্যাবসায়িক কাজে দুপুরে একটি গুরুত্বপূর্ণ সংস্থার দপ্তরেও যান।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে ডিএমপি কমিশনার মো. শফিকুল ইসলাম মঙ্গলবার যুগান্তরকে বলেন, ‘বিষয়টি শুনেছি। বনানীর স্থান পরিবর্তন করে উত্তরা পশ্চিম থানা এলাকার ঠিকানায় মামলা করেছে। ঘটনাটি মিথ্যা। আমি বলে দিয়েছি।’

যেভাবে ফাঁদে পা দিলেন জহুরুল : বনানীর অভিজাত একটি রেস্টুরেন্টে পরিচয় থেকে এক সময় প্রেম, অতঃপর প্রণয়। সময়টা ছিল ২০১৯ সালের জানুয়ারি। সমাজের হাইপ্রোফাইলের মেয়ে হিসেবে নিজেকে উপস্থাপন করে প্রতারণার ফাঁদ তৈরি করাই ছিল তার একরকম নেশা। এর আগে রেজা নামে আরেক আইনজীবীর সঙ্গেও প্রতারণা করেন এই নারী।

তার কাছ থেকে বিপুল অঙ্কের অর্থও নিয়ে আসেন তিনি। ‘স’ আদ্যাক্ষরের এই নারীর বিরুদ্ধে অভিযোগের অন্ত নেই। অনেকে নানাভাবে প্রতারিত হলেও মানসম্মানের ভয়ে মুখ খোলেননি।

২০১৩ সালে পুলিশের এক এসআইয়ের সঙ্গে তার বিয়ে হয়। সেটিও ছিল একই ছকে বাঁধা। সমাজে প্রভাবশালী পুলিশ কর্মকর্তার স্ত্রী হিসেবে পরিচয় দিতে তিনি একরকম ফাঁদে ফেলে তাকে বিয়ে করেন।

বর্তমানে তিনি চট্টগ্রাম রেঞ্জে কর্মরত। পদোন্নতি পেয়ে ইনস্পেক্টরও হয়েছেন। সাত বছরের সংসারজীবনে তাদের একটি ছেলেও আছে। থাকতেন বনানীর একটি আলিশান ফ্ল্যাটে। তবে এই বিয়ে-সন্তানের কথা কিছুই জানতে পারেননি জহুরুল।

এই সবকিছু গোপন রেখে কাবিননামায় নিজেকে কুমারী পরিচয় দিয়ে চার লাখ টাকা দেনমোহরে জহুরুলকে বিয়ে করেন। বিয়ে হয় ২০১৯ সালের ২৮ জুন। বিয়ের সময় দেনমোহরের পুরো টাকা নগদে উশুল করে নেন স্ত্রী। এরপর একে একে নিজের নামে লিখে নেন বনানীর একটি অত্যাধুনিক রেস্টুরেন্ট ও দুটি দামি গাড়ি।

নিজের অ্যাকাউন্টে ভাগিয়ে নিয়েছেন দেড় কোটি টাকাও। এর সপক্ষে ভুক্তভোগীর কাছে সব তথ্য-প্রমাণ রয়েছে। তবে জহুরুল এক সময় বুঝতে পারেন, তিনি পুলিশ কর্মকর্তার এক ভয়ংকর স্ত্রীর ফাঁদে পড়েছেন। এর আগেই সর্বনাশ যা হওয়ার হয়ে গেছে। এ অবস্থায় কালবিলম্ব না-করে এই নারীকে গত ১৬ নভেম্বর তালাক দিয়ে নিজেকে গুটিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করেন। এরপরই ভয়ংকর রূপে আবির্ভূত হন এই নারী।

তথ্যানুসন্ধানে জানা যায়, ধর্ষণ মামলা দিয়ে ফাঁসিয়ে দেওয়ার বিষয়টি জহুরুল ইসলাম জহির আদালত থেকেই জানতে পারেন। ১১ জানুয়ারি স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে সরাসরি দেখা করে সাহায্য চান।

এ বিষয়ে মন্ত্রীর কাছে এক পৃষ্ঠার লিখিত আবেদনও করেন তিনি। ওই আবেদনের এক স্থানে তিনি বলেন, গত ১৪ নভেম্বর সকালে নারীর আলিশান ফ্ল্যাটে গিয়ে ওই ইনস্পেক্টরকে আপত্তিকর অবস্থায় দেখতে পান।

এ সময় সম্পর্ক জানতে চাইলে তিনি নারীকে স্ত্রী হিসেবে পরিচয় দেন। তার কাছ থেকেই তিনি জানতে পারেন তাদের এই সংসারে সাত বছরের একটি ছেলেও আছে। এরপর সেখানে উভয়ের মধ্যে উত্তেজনাকর পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। সেখানে তাকে মারধর করা হয় বলেও অভিযোগ করেন তিনি। এ নিয়ে তিনি গুলশান ও বনানী থানায় কয়েকটি জিডিও করেন।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী তাৎক্ষণিক আবেদনটি তদন্ত করে ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য ডিএমপি কমিশনারকে নির্দেশ দেন। কমিশনার শফিকুল ইসলাম পুলিশের গুলশান জোনের ডিসির কাছে বিষয়টি তদন্তের দায়িত্ব দেন।

এই তদন্ত চলাকালীন ১৮ জানুয়ারি দ্বিতীয় দফা নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-৯-এ হাজির হয়ে মামলা করেন ওই নারী। বিচারক আদেশে বলেন, অভিযোগকারী নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন ২০০০ (সংশোধনী/০৩)-এর ৯(১) ধারার অপরাধের অভিযোগ করেছেন। অত্র মামলার ভিকটিমকে তার ইচ্ছার বিরুদ্ধে জোরপূর্বক ধর্ষণ করার অভিযোগ করা হয়েছে। এ ক্ষেত্রে অনুসন্ধানের মাধ্যমে প্রকৃত তথ্য উদ্ঘাটন ও যথাযথ আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য মামলাটি পুলিশ কর্মকর্তা কর্তৃক পূর্ণাঙ্গ তদন্ত হওয়া আবশ্যক। নালিশি দরখাস্তটি এজাহার হিসাবে গণ্য করার নির্দেশ দেন বিচারক।

আদেশে বলা হয়, ‘যে পুলিশ কর্মকর্তা মামলাটি গ্রহণে অস্বীকৃতি জানিয়েছেন তিনি ব্যতীত এসআই মর্যাদার নিম্নে নয়, এমন অপর কোনো কর্মকর্তাকে দিয়ে মামলাটি তদন্ত করতে উত্তরা পশ্চিম থানার ওসিকে নির্দেশ দেওয়া হয়। মামলাটি যথারীতি রুজু হয়েছে তা ট্রাইব্যুনালকে জরুরি ভিত্তিতে জানানোর জন্য সংশ্লিষ্ট থানার ওসিকে নির্দেশ দেওয়া হয়।

এদিকে রহস্যজনক ধর্ষণের এই এজাহারে দেখা যায়, ভয়ংকর এই নারী ঘটনার তারিখ উল্লেখ করেছেন গত ৩১ ডিসেম্বর সকাল আনুমানিক ৯টা। ঘটনাস্থল উত্তরা পশ্চিম থানা এলাকার ১৪নং সেক্টরের ১৪নং রোডের ৫২নং বাড়ির সুইফট ডেভেলপমেন্ট নামে একটি অফিস। ২০১৮ সালের ১০ আগস্ট ওই নারীর সঙ্গে ব্যবসায়ী জহিরের পরিচয় হয়। ২৬ আগস্ট সুইফট ডেভেলপমেন্টে তাকে নিয়োগ দেওয়া হয়।

এরপর ৫ অক্টোবর থেকে তিনি সেখানে চাকরি করতেন। চাকরি থেকে পদত্যাগপত্র দিতে গেলে জহির নিজের বিশ্রামকক্ষে নিয়ে হাত বেঁধে ও মুখে তোয়ালে গুঁজে জোরপূর্বক ধর্ষণ করেন।

খারিজ মামলায় ভিন্ন তথ্য : এর আগে গত ২৩ ডিসেম্বর সকাল ৯টার দিকে এমন আরেকটি ঘটনার দিন-সময় উল্লেখ করে কথিত ভুক্তভোগী নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-৭-এ জহির-এর বিরুদ্ধে ধর্ষণের অভিযোগ করেন। এজাহারে ঘটনাস্থল হিসাবে উল্লেখ করা হয় বনানীর ই-ব্লকের ১০নং রোডের ৫৪নং বাড়ির ৫নং ফ্ল্যাটে। সেখানে (ফোর জেড ডেভেলপার) পদত্যাগপত্র জমা দিতে গেলে তিনি ধর্ষণের শিকার হন। মাত্র সাত দিনের ব্যবধানে এমন বিচিত্র দুটি এজাহার দেন এই নারী। এজাহারে শুধু ঘটনাস্থল ও বিচারিক আদালত পরিবর্তন করতে দেখা যায়। এজাহারের বর্ণনাও একই। আর এই ২৩ ডিসেম্বরই জহুরুল ইসলাম এই নারীকে তালাক কার্যকর করতে নোটারি করেন। ধর্ষণের মামলা করতে গিয়ে তালাকের এই তারিখটিকেই বেছে নেন তিনি। ১৩ জানুয়ারি রহস্যজনক এই ধর্ষণের মামলাটি খারিজ করে সংশ্লিষ্ট আদালতের বিচারক আদেশ দেন। আদেশে বলা হয়, ‘নালিশকারী ৩৬ বছর বয়স্ক মহিলা। তিনি আসামির প্রতিষ্ঠানে চাকরি করেন। কাজেই তাদের মধ্যে পারস্পরিক যোগাযোগ আছে। ঘটনার দীর্ঘদিন পর অত্র নালিশ আনা হয়েছে। বিলম্বের কোনো ব্যাখ্যা দরখাস্তে নেই। থানায় মামলা করতে গেলে মামলা নেয়নি বলে জানান। কোন তারিখে থানা তাকে প্রত্যাখ্যান করেছে সেই তারিখও দরখাস্তে নেই। ভিকটিম মেডিকেল পরীক্ষাও করেননি। ঘটনার দীর্ঘদিন পর কোনো ধরনের মেডিকেল পরীক্ষা ছাড়া একজন পূর্ণবয়স্ক মহিলা ধর্ষণের শিকার হয়েছেন, তা বিশ্বাসযোগ্য মর্মে প্রতীয়মান হয় না। এ ছাড়া যৌন অপরাধের ক্ষেত্রে ভিকটিম পূর্ণবয়স্কা নারী হলে অবশ্যই নিরপেক্ষ সাক্ষ্যের সমর্থন ছাড়া তার মামলা বিশ্বাস করা যায় না। কেননা, পূর্ণ বয়সের কারণে তিনি ইচ্ছুক বা আগ্রহী পক্ষ হতে পারে। প্রাপ্তবয়স্ক নারী হওয়ায় নালিশকারী পক্ষের মামলা সন্দেহের সৃষ্টি করেছে। মেডিকেল পরীক্ষার অনুপস্থিতি ধর্ষণের অপরাধ সংঘটিত হয়নি মর্মে প্রতীয়মান হয়। সার্বিক বিশ্লেষণে নালিশি দরখাস্তে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন ২০০০ (সংশোধিত-২০২০)-এর ৯(১) ধারার কোনো উপাদান নেই। তাই অত্র দরখাস্ত নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনের ২৭ ধারার (১-ক)(আ) ধারা মোতাবেক অভিযোগটি সরাসরি খারিজ করা হইল।’

এদিকে ওই ইনস্পেক্টরের বিরুদ্ধে চট্টগ্রামের ডিআইজির কাছে অভিযোগ করেন জহুরুল। এরপর তাকে চট্টগ্রামের একটি পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জের দায়িত্ব থেকে প্রত্যাহার করা হয়। জহুরুল ইসলামের এই অভিযোগটি তদন্ত করছেন ফেনীর অতিরিক্ত পুলিশ সুপার রবিউল ইসলাম। এ বিষয়ে জানতে চাইলে যুগান্তরকে তিনি বলেন, তদন্ত শেষ না-হওয়া পর্যন্ত এ বিষয়ে কোনো মন্তব্য করা যাবে না।

জানতে চাইলে ওই ইনস্পেক্টর সোমবার রাতে যুগান্তরকে বলেন, ‘স’ আদ্যাক্ষরের এই নারী আমার স্ত্রী ছিলেন। ২০১৩ সালে তাদের বিয়ে হয়। ২০১৮ সালে স্ত্রীই তার সঙ্গে বনিবনা হচ্ছে না অভিযোগ করে তালাক দেন। তালাকের পর কেন আপনি গত ১৪ নভেম্বর স্ত্রীর বাসায় একান্তে সময় কাটাতে গেলেন-জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘আসলে জহুরুল সাহেব যে তাকে বিয়ে করেছেন, সে বিষয়টি তো আমি জানতাম না। এ ছাড়া সেখানে তো আমার একমাত্র ছেলেও থাকে। শিশুছেলেটি তখন অসুস্থ। অসুস্থ ছেলের জন্যই আসলে সেখানে যাওয়া।’

জহুরুল ইসলামের সঙ্গে ওই নারীর বিয়ের কাবিন যাচাই করে যুগান্তর অনুসন্ধানী সেল। ইসলামি শরিয়া অনুযায়ী ফার্মগেট কাজি অফিসে এই বিয়ে সম্পন্ন হয়। সোমবার সংশ্লিষ্ট কাজি আলহাজ মাওলানা আবুবকর সিদ্দিক প্রতিবেদককে রেজিস্টার্ড কাবিননামা দেখিয়ে বলেন, ‘পাত্রী আইনজীবী মনে হচ্ছে।’ নোট খাতায় তিনি আইনজীবীর ওই তথ্যটুকু লিখে রাখেন। অর্থাৎ, প্রতারণার এই বিয়ে করতে গিয়েও নিজেকে আইনজীবীর ভুয়া পরিচয়ও দেন এই নারী।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে কাজী আবুবকর সিদ্দিক যুগান্তরকে বলেন, ‘বিবাহিত নারী কুমারী লিখে বিয়ে করলে এটা অপরাধ। পাত্রীর বিরুদ্ধে প্রতারণার মামলা হতে পারে। আর স্ত্রী হিসাবে তো ধর্ষণ মামলা করা যায় না। এ কারণেই হয়তো মামলায় উলটাপালটা তথ্য দিয়ে বিয়ের বিষয়টি গোপন করে নিজের পায়ে নিজেই কুড়াল মেরেছেন।’

এসব বিষয় নিয়ে কথা বলতে ওই নারীর মোবাইলে যোগাযোগের চেষ্টা করা হয়। কিন্তু তার মোবাইলটি বন্ধ পাওয়া যায়। উত্তরা পশ্চিম থানার একজন কর্মকর্তা যুগান্তরকে বলেন, পুলিশও ওই নারীর সঙ্গে যোগাযোগ করার চেষ্টা করছে। অথচ তিনি থানায় আসতে নানা অজুহাত দেখাচ্ছেন। বিষয়টি সিনিয়র স্যারদের জানানো হয়েছে।

source: যুগান্তরের