ঢাকা, বাংলাদেশ | সময়ঃ ৩:৫৫ অপরাহ্ণ
আজ শনিবার, ৮ মে, ২০২১
অনলাইন ডেস্ক
অনলাইন ডেস্ক
Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin
তাবলিগ জামাতের সংঘর্ষ | ছবি: সংগৃহীত

তাবলিগ জামাতকে দুই ভাগ করার নেপথ্যেও হেফাজত নেতাদের হাত ছিল বলে রিমান্ডে থাকা নেতারা পুলিশকে জিজ্ঞাসাবাদে জানিয়েছেন।

সোমবার (৩ মে) দুপুরে ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) গোয়েন্দা বিভাগের (ডিবি) যুগ্ম কমিশনার মাহবুবুল আলম এ তথ্য জানিয়েছেন। রমজানকে সামনে রেখে দেশজুড়ে হেফাজতের বড় ধরনের নাশকতার পরিকল্পনা ছিল বলেও জানান তিনি।

ডিবির এ যুগ্ম কমিশনার বলেন, রমজান মাসে বদরের যুদ্ধ হয়েছিল। আরেকটি বদর যুদ্ধের ডাক দিয়েছিল হেফাজত। ২৬ মার্চে শুরু হওয়া সহিংসতা রমজান পর্যন্ত টেনে আনার পরিকল্পনা ছিল তাদের। 

২৬ মার্চ বায়তুল মোকাররম জাতীয় মসজিদে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সফরের বিরোধিতা করে বিক্ষোভ করে হেফাজতের নেতাকর্মীরা। পরে তাণ্ডব ছড়িয়ে পড়ে কয়েকটি জেলায়।

এ ঘটনায় হওয়া মামলায় এখন পর্যন্ত ৩০ জনেরও বেশি হেফাজতের সদ্য বিলুপ্ত কমিটির কেন্দ্রীয় নেতাদের গ্রেফতার করা হয়েছে। তাদের জিজ্ঞাসাবাদে পুলিশ পেয়েছে সহিংসতার মূল কারণ।

এসব তথ্য তুলে ধরে মাহবুবুল আলম জানান, চলতি রমজানেই দেশে একটি অরাজক পরিস্থিতি তৈরির নীলনকশায় মেতেছিল হেফাজতের নেতারা। দেশ-বিদেশ থেকে মাদ্রাসায় আসা অনুদানের টাকা সাম্প্রতিক সহিংসতায় খরচ করা হয়েছিল।

এর আগে মামুনুল হক ও তার সহযোগীরা মোহাম্মদপুর এলাকায় তাবলিগ জামাতের সাদপন্থীদের ওপর হামলার বিষয়টি স্বীকার করেছেন। 

২০২০ সালের ৬ মার্চ সেখানে হামলার ঘটনায় দায়ের করা মামলায়ই রিমান্ডে আছেন মামুনুল। মামলার বাদী জি এম আলমগীর শাহিন সাদপন্থী। ঘটনার সিসি ক্যামেরার ফুটেজ জব্দ করেছে পুলিশ। 

সেখানে আসামি ওমর, ওসমান, শহিদ, আনিস ও জহিরের মসজিদে ঢুকে হামলা চালানোর প্রমাণ মিলেছে। তারা সবাই মামুনুল হকের ঘনিষ্ঠ। রিমান্ডে জিজ্ঞাসাবাদে মামুনুল সাদপন্থীদের বিতাড়িত করার কথা স্বীকার করেছেন।