ঢাকা, বাংলাদেশ | সময়ঃ ৩:৩৭ পূর্বাহ্ণ
আজ সোমবার, ১৭ মে, ২০২১
সোমবার নারায়ণগঞ্জ প্রেস ক্লাবের সামনে নির্বাচন কমিশনের পদত্যাগের দাবিতে জেলা বিএনপির মানববন্ধন কর্মসূচি চলাকালে
অনলাইন ডেস্ক
অনলাইন ডেস্ক
Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin
ছবি: সংগৃহীত

নারায়ণগঞ্জ জেলা বিএনপির নবগঠিত আহ্বায়ক কমিটির প্রথম কর্মসূচিতেই হাতাহাতির ঘটনা ঘটেছে। এ সময় রূপগঞ্জের তারাবো পৌরসভার নির্বাচনে ধানের শীষ প্রতীকের মেয়র প্রার্থী নাসির উদ্দীনকে মারধরের চেষ্টাও করেন তারাবো পৌর বিএনপির একাংশের নেতাকর্মীরা।

তাদের অভিযোগ আসন্ন তারাবো পৌরসভা নির্বাচনে আওয়ামী লীগের মেয়র প্রার্থী হাসিনা গাজীর কাছে মনোনয়ন বিক্রি করে দিয়েছেন নাসির উদ্দীন।

হাতাহাতি ও ধস্তাধস্তির ঘটনা ঘটে জেলা বিএনপির আহ্বায়ক অ্যাডভোকেট তৈমূর আলম খন্দকার ও সদস্য সচিব অধ্যাপক মামুন মাহামুদের সামনেই। এছাড়াও মিডিয়ার সামনে ছবি তোলা নিয়েও নেতাকর্মীরা নিজেদের মধ্যে ধস্তাধস্তি শুরু করলে হাতাহাতির ঘটনা ঘটে।

সোমবার নারায়ণগঞ্জ প্রেস ক্লাবের সামনে নির্বাচন কমিশনের পদত্যাগের দাবিতে জেলা বিএনপির মানববন্ধন কর্মসূচি চলাকালে এ ঘটনা ঘটে।

 

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, ওই মানববন্ধনে সামনের সারিতে নাসির উদ্দীনকে দাঁড়াতে দেখে ক্ষুব্ধ হয়ে ওঠেন তারাবো পৌর বিএনপির নেতাকর্মীরা। ওই সময় তারাবো পৌর বিএনপির নেতা পিন্টু তারাবো পৌর নির্বাচনে বিএনপির মনোনয়ন পাওয়া নাসির উদ্দীনের ওপর ক্ষিপ্ত হয়ে উঠলে স্থানীয় নেতারা তাকে শান্ত করার চেষ্টা করেন। তবে ঘটনার সময় নির্বাক ছিলেন তৈমূর আলম ও মামুন মাহামুদসহ সিনিয়র নেতারা।

এ ব্যাপারে তারাবো পৌর বিএনপি নেতা দুলাল হোসেন বলেন, তারাবো পৌর নির্বাচনে ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থী নাসির উদ্দীন প্রার্থিতা আওয়ামী লীগের প্রার্থীর কাছে বিক্রি করে দিয়েছেন। এ অভিযোগ তুলে নেতাকর্মীরা নাসির উদ্দীনের কাছে জানতে চেয়েছেন- আপনি বিএনপির কর্মসূচির প্রথম কাতারে দাঁড়িয়েছেন কেন? এ সময় নেতাকর্মীরা নাসির উদ্দীনকে মারধরের চেষ্টা করেছিল। ওই সময় নেতাকর্মীদের মাঝে অপ্রীতিকর ঘটনা যাতে না ঘটে সেজন্য আমি শান্ত করার চেষ্টা করেছি।

হামলার শিকার তারাবো পৌর নির্বাচনে ধানের শীষ পাওয়া নাসির উদ্দীনের কাছে জানতে চাওয়া হয় সেখানে কী ঘটেছিল? এমনটা জানতে চাইলে তিনি অনেকটা রাগান্বিত হয়ে বলেন, দেখেন নাই কী ঘটেছিল?

এ ব্যাপারে জেলা বিএনপির নবগঠিত কমিটির আহ্বায়ক তৈমূর আলম খন্দকার বলেন, অভ্যন্তরীণ বিষয় নিয়ে একটু উত্তেজনা হয়েছিল। পরে সিনিয়র নেতারা পরিস্থিতি শান্ত করেন। এর বেশি কিছু না।

Logo of TDN 27 12 2020