ঢাকা, বাংলাদেশ সময়ঃ ১০:৫১ পূর্বাহ্ণ শনিবার, ৮ মে, ২০২১
জাতীয়
অনলাইন ডেস্ক
অনলাইন ডেস্ক
Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin
ছবি: সংগৃহীত

সরকারের সব মন্ত্রণালয় ও বিভাগের ডাটা আলাদা সার্ভারে না রেখে নিরাপত্তার স্বার্থে গাজীপুরের কালিয়াকৈর মেগা ডাটা সেন্টারে সংরক্ষণ করার সিদ্ধান্ত দিয়েছে সরকার।

গতকাল সোমবার প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সভাপতিত্বে ভার্চ্যুয়াল মন্ত্রিসভা বৈঠকে নীতিমালাটি অনুমোদন দেওয়া হয়। গণভবন প্রান্ত থেকে প্রধানমন্ত্রী এবং সচিবালয়ের মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে মন্ত্রীরা ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে বৈঠকে যোগ দেন।

বৈঠক শেষে সচিবালয়ে মন্ত্রিপরিষদ সচিব খন্দকার আনোয়ারুল ইসলাম প্রেস ব্রিফিংয়ে এ তথ্য জানান।

এই ডাটা সেন্টারে ব্যক্তিগত ডাটাও সংরক্ষণের সুযোগ রেখে বাংলাদেশ ডেটা সেন্টার কোম্পানি লিমিটেড শীর্ষক কোম্পানির মেমোরেন্ডাম অব অ্যাসোসিয়েশন এবং আর্টিক্যাল অব অ্যাসোসিয়েশনের সংশোধিত খসড়ার ভূতাপেক্ষ অনুমোদন দিয়েছে মন্ত্রিসভা।

মন্ত্রিপরিষদ সচিব বলেন, প্রত্যেক মন্ত্রণালয় ও বিভাগের একটা করে সার্ভার আছে, এখন থেকে কেউ আর সার্ভার করতে পারবে না। সবার ডাটা এই কালিয়াকৈর ডাটা সেন্টারে কোম্পানির আন্ডারে স্টোর করতে হবে। কারণ ওখানে সব সেফটি ও সিকিউরিটি থাকবে। সরকরের কোনো ডাটা আর লোকালি কেউ স্টোর করতে পারবে না।

এই ডাটা সেন্টারের একটা ব্যাকআপ আছে যশোরে। কোনো কারণে যদি কালিয়াকৈরে ডিজাস্টারও হয়, সব ডাটা আবার যশোরের ব্যাকআপ সেন্টার থেকে উদ্ধার করা যাবে বলে জানান মন্ত্রিপরিষদ সচিব।

কালিয়াকৈরের ডাটা সেন্টারে ৩০০ টেরাবাইট পর্যন্ত ডাটা স্টোর করা যাবে। এখন পর্যন্ত ৭ টেরাবাইট পর্যন্ত করা গেছে।

তিনি জানান, প্রাইভেট সেক্টরের লোকজন অন-পেমেন্টে ডাটা সংরক্ষণ করতে পারবে। নিজেদের আর সার্ভার করার দরকার হবে না।

তিনি বলেন, বাংলাদেশে যত ডাটা আছে সবগুলো আইসিটি (তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি) বিভাগের অধীন কালিয়াকৈরে মেগা ডাটা সেন্টারে লঞ্চ করার জন্য প্রস্তাব এসেছে। সবার ডাটা এখানে রাখাতে হবে, এমনকি বিদেশিদেরটাও রাখতে পারবে। কিন্তু সেটার জন্য প্রথম একটা অরপারেটিং ফান্ড দিয়ে দিচ্ছে। এরপর থেকে সরকার টাকা দেবে না। তারাই ডাটা স্টোর করে যে টাকা-পয়সা পাবে সেটা দিয়েই মেইনটেইন করবে এবং ভবিষ্যতে এক্সটেনশন করবে।

আরও খবর
 ইউনিভার্স ট্রিবিউন