ঢাকা, বাংলাদেশ সময়ঃ ৪:৩১ অপরাহ্ণ শনিবার, ৮ মে, ২০২১
দেখে নিন সেইসব লঙ্কা।
অনলাইন ডেস্ক
অনলাইন ডেস্ক
Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin
ঝালের দিক থেকে বেশিরভাগ মানুষই খুঁতখুঁতে। মনের মতো ঝাল না হলে অনেকেরই খাওয়াটা পরিপূর্ণ হয় না। তা বেশি করে প্রকাশ পায় ফুচকা খাওয়ার সময়। তরকারিতে লঙ্কা দেওয়ার পাশাপাশি অনেকে লঙ্কার চপ, আচারও খেয়ে থাকেন। অর্থাৎ ঝালটা মানুষের নিত্যসঙ্গী। কিন্তু বিশ্বে এমনকিছু লঙ্কা আছে যা ঝালের দিক থেকে বিশ্বরেকর্ড করেছে। স্কভিল্লি হিট ইউনিটের মাধ্যমে পরিমাপ করা হয় লঙ্কার ঝালের। দেখে নিন সেইসব লঙ্কা।
ক্যারোলিনা রিপার (আমেরিকা)
বিশ্বের সবথেকে বেশি ঝাল লঙ্কার হিসেবে গিনেস বুক অফ ওয়ার্ল্ড রেকর্ডে নাম লিখিয়েছে। আকারে ডিম্বাকৃতি ও লাল রংয়ের হয়। স্কভিল্লি হিট ইউনিট বা SHU-র মতে এর ঝালের পরিমাণ ২২ লাখ এসএইচইউ।
ত্রিনিদাদ মোরুগা স্করপিয়ন (ত্রিনিদাদ ও টোব্যাগো)
এই লঙ্কা ঝালের পাশাপাশি মিষ্টিও দেয়। এতে থাকে ঝাল ও মিষ্টির মিশ্রণ। ত্রিনিদাদ ও টোবাকোর মরুগা অঞ্চলে পাওয়া যায় এই লঙ্কা। এর ঝালের পরিমাণ ২০ লাখ ৯ হাজার ২৩১ এসএইচইউ।
ত্রিনিদাদ স্করপিয়ন (ত্রিনিদাদ ও টোব্যাগো):
এই লঙ্কাকে বুচ টি-ও বলা হয়। বুচ টেইলর নামে এক ব্যক্তির নাম অনুসারে এই লঙ্কার নাম দেওয়া হয়। এই লঙ্কা আকারে খানিকটা গোলাকার হলেও পিছনটা একটু ছুঁচালো থাকে। এর ঝালের পরিমাণ ১৪ লাখ ৬৩ হাজার ৭০০ এসএইচইউ।
নাগা ভাইপার (ইংল্যান্ড)
অনেকটা পাকা কলার মত দেখতে এই লঙ্কাগুলো। ইংল্যান্ডের একটি সংস্থা সর্বপ্রথম ২০১১ সালে এই লঙ্কার চাষ করে। এর ঝালের পরিমাণ ১৩ লাখ ৪৯ হাজার এসএইচইউ।
ভূত জলকিয়া (ভারত)
মূল উৎপাদত হয় অসমে। তবে নাগাল্যান্ড ও মণিপুরেও পাওয়া যায় ভূত জলকিয়া। অনেকটা ছোটো ক্যাপসিকামের মত দেখতে এই লঙ্কা। ভারতীয় সেনা এই ভূত জলকিয়াকে অস্ত্র হিসেবেও ব্যবহার করে। এর ঝালের পরিমাণ ১০ লাখ ৪১ হাজার ৪২৭ এসএইচইউ।
সেভেন পট জনাহ (ত্রিনিদাদ)
ত্রিনিদাদের ছাগুয়ান্স রিজিয়নে পাওয়ায় যায় এই ধরনের লঙ্কার। সাদা, হলুদ, লাল ও বাদামী রংয়ে পাওয়া যায় এই লঙ্কা। এর ঝালের পরিমাণ ১২ লাখ এসএইচইউ।
চকোলেট হাবানেরো (আমেরিকা)
এই লঙ্কার কঙ্গো ব্ল্যাক বা ব্ল্যাক হাবানেরো নামেও বিখ্যাত। আকার হয় দুই ইঞ্চি। চিকিৎসকরা বলেন, এই লঙ্কা হজমের জন্য খুব উপকারি। এছাড়াও রক্তচাপ কমায়, হার্টের অসুখ দূর করে। এতে আছে ভিটামিন এ ও সি। এর ঝালের পরিমাণ ৫ লাখ ৭৭ হাজার এসএইচইউ।
রেড স্যাভিনা হাবানেরো (আমেরিকা)
২০০৭ সালে গিনিস বুকে সবথেকে ঝাল লঙ্কার তকমা অর্জন করেছিল রেড স্যাভিনা। এর ঝালের পরিমাণ ৫ লাখ ৭০ হাজার এসএইচইউ।
অরেঞ্জ হাবানেরো (মেক্সিকো)
দেখতে অনেকটা লেবুর মতো। কাঁচা অবস্থায় এটি সবুজ থাকে। পাকলে অরেঞ্জ রংয়ের হয়ে যায়। এর ঝালের পরিমাণ ২ লাখ ৫০ হাজার এসএইচইউ।
রোকোটো (পেরু)
পেরু ও দক্ষিণ আমেরিকার কিছু জায়গায় এইধরনে লঙ্কার চাষ হয়। দেখতে অনেকটা টম্যাটোর মতো। এর বীজ হয় কালো রংয়ের। অন্য লঙ্কার থেকে এই লঙ্কা হয় একটু শক্ত। এর ঝালের পরিমাণ ১ লাখ এসএইচইউ।
পিরি পিরি চিলি (আফ্রিকা)
এই লঙ্কাগুলো আফ্রিকান বার্ড আই নামেও পরিচিত। পিরি পিরি সস তৈরিতে ব্যবহার করা হয় এই লঙ্কা। এর ঝালের পরিমাণ ১ লাখ ৭৫ হাজার এসএইচইউ।
জালাপিনো চিলি (মেক্সিকো)
সসেজ, ডিপস ও বিভিন্ন মেক্সিকান খাবার তৈরিতে ব্যবহার করা এই লঙ্কা। ছুঁচালো হয় দেখতে। কালচে সবুজ ও লাল রংয়ের হয় এই লঙ্কাগুলো। এর ঝালের পরিমাণ ৮ হাজার এসএইচইউ।
গুয়াজিল্লো চিলি (মেক্সিকো)
এই ধরনের লঙ্কায় আছে অ্যারোমেটিক ফ্লেভার। চামড়াটা পাতলা হয় এই লঙ্কার। এর ঝালের পরিমাণ ৫ হাজার এসএইচইউ।
 ইউনিভার্স ট্রিবিউন