ঢাকা, বাংলাদেশ সময়ঃ ৪:৪৭ অপরাহ্ণ শনিবার, ৮ মে, ২০২১
৫০ শতাংশ দরিদ্রের চেয়ে দ্বিগুণ নিঃসরণ ১ শতাংশ ধনীর * কার্বন কমাতে এলিট শ্রেণিকে এগিয়ে আসতে হবে
অনলাইন ডেস্ক
অনলাইন ডেস্ক
Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin

করোনাভাইরাস মহামারীর কারণে গ্রিন হাউস গ্যাস নিঃসরণ হ্রাস ও বিশ্বনেতাদের প্রতিশ্রুতি সত্ত্বেও আরও ৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস বৃদ্ধির পথে এগোচ্ছে পৃথিবী। 

জাতিসংঘের এক মূল্যায়ন প্রতিবেদনে এ তথ্য উঠে এসেছে। জলবায়ুবিষয়ক বার্ষিক প্রতিবেদনটি বুধবার প্রকাশিত হয়। এতে বলা হয়েছে, চলতি বছরের ৭ শতাংশ কম কার্বন নিঃসরণ উষ্ণায়ন প্রক্রিয়ায় ‘যৎসামান্য প্রভাব ফেলবে।’ মাত্র ১ শতাংশ ধনী বিশ্বের প্রায় অর্ধেক জনগোষ্ঠী বা ৩১০ কোটি মানুষের চেয়ে দ্বিগুণ কার্বন নিঃসরণ করে। এর ফলে দ্রুতগতিতে বাড়ছে বৈশ্বিক উষ্ণায়ন। ঘটছে জলবায়ু পরিবর্তন। এর মোকাবেলায় তাই ধনীদেরকেই এগিয়ে আসতে হবে। এজন্য চলতি শতাব্দীর মধ্যে বিপজ্জনক সব প্রাকৃতিক দুর্যোগ ও প্রভাব এড়াতে অনতি বিলম্বে পরিবেশ দূষণ করে এমন বিলাসী ও আয়েশী জীবন থেকে বেরিয়ে আসতে হবে। খবর এএফপি ও বিবিসির।

জাতিসংঘের নতুন এক গবেষণা রিপোর্ট মতে, করোনাভাইরাস মহামারীর কারণে কার্বন নিঃসরণে পতনের পরও চলতি শতাব্দীতে বৈশ্বিক উষ্ণতা কয়েক ডিগ্রি বৃদ্ধির পথে অব্যাহত গতিতে এগোচ্ছে। এতে বিশ্বের দরিদ্র ও উন্নয়নশীল দেশগুলো আরও প্রাকৃতিক দুর্যোগ ও বাস্তুচ্যুতির শঙ্কায় আছে।

অক্সফামের এক বিশ্লেষণে দেখা গেছে, ১৯৯০ থেকে ২০১৫ সালের মধ্যে বার্ষিক নিঃসরণ ৬০ শতাংশ বেড়েছে। বিশ্বের কার্বন নিঃসরণের এক-তৃতীয়াংশের জন্য দায়ী ধনী দেশগুলো। অক্সফামের জন্য পরিচালিত এক গবেষণায় স্টকহোম এনভায়রনমেন্ট ইন্সটিটিউট বলছে, ১৯৯০-পরবর্তী সময়ে ৯ শতাংশ কার্বন নিঃসরণ করেছে ১ শতাংশ ব্যক্তি বা ছয় কোটি ৩০ লাখ মানুষ। এই ১ শতাংশ মানুষের কার্বন নিঃসরণের পরিমাণ বিশ্বের অর্ধেক দরিদ্র জনগেষ্ঠীর নিঃসরণের চেয়ে তিন গুণ বেশি। ২০১৫ সালের প্যারিস জলবায়ু চুক্তি মোতাবেক বৈশ্বিক উষ্ণতা বৃদ্ধি ২ ডিগ্রি সেলসিয়াসের মধ্যে রাখতে সম্মত হয়েছেন বিশ্বনেতারা।

প্লাস্টিক দূষণে মহাসংকট : প্লাস্টিক সৃষ্ট দূষণে বড় সংকটে পড়েছে পৃথিবী। ধ্বংসের দ্বারপ্রান্তে এর প্রকৃতি ও পরিবেশ। আর এই দূষণের পুরো ভাগে রয়েছে বিশ্বের হাতেগোনা নামিদামি কয়েকটি বহুজাতিক প্রতিষ্ঠান। কোকা-কোলা, পেপসিকোর মতো পানীয় কোম্পানির সঙ্গে সঙ্গে অভিযোগের তালিকার শীর্ষে রয়েছে খাদ্যপণ্য কোম্পানি নেসলে। প্লাস্টিকবিরোধী আন্তর্জাতিক সংগঠন ‘ব্রেক ফ্রি ফ্রম প্লাস্টিক’র বার্ষিক গবেষণা রিপোর্টে এ তথ্য উঠে এসেছে। রিপোর্ট মতে, পরপর তিন বছর শীর্ষ দূষণকারী কোম্পানি হওয়া সত্ত্বেও এ বছরও কোনো অগ্রগতি করতে পারেনি কোকা-কোলা, পেপসিকো ও নেসলে।

 ইউনিভার্স ট্রিবিউন